ইন্টারনেটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: আজকের ইন্টারনেট যেভাবে এলো

ইন্টারনেট, আজ আমাদের জীবনেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি অসাধারণত্বকে হার মানায়। কিন্তু এর ইতিহাস কি আমরা জানি?

ইন্টারনেট, আজ আমাদের জীবনেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি অসাধারণত্বকে হার মানায়। কিন্তু এর ইতিহাস কি আমরা জানি?

আসসালামু আলাইকুম, আমি তাহমিদ হাসান মুত্তাকী, আর এখন আপনারা ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন সেই ইতিহাসের পাতাগুলোতে, যেগুলো এনে দিয়েছে আজকের ইন্টারনেট।

ইন্টারনেটের আবিষ্কারক কে? প্রশ্নটি সহজ, তবে উত্তরটা একেবারেই নয়। ১৯৬৫থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এর বিবর্তন তো কম ঘটেনি! তবে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক ধারণার কৃতিত্ব সাধারণত দেওয়া হয় লিউনার্দ ক্ল্যাইনরককে। ক্লেইনরক ছিলেন তথ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি দপ্তরের প্রথম পরিচালক।  ১৯৬১ সালে তিনি ইন্টারনেটের পূর্বসূরী ARPANET (The Advanced Research Projects Agency Network) এর বিষয়ে লিখেছিলেন। একে তিনি বলেছিলেন, “Information Flow in Large Communication Nets”

১৯৬৯ সালে আমেরিকান প্রতিরক্ষা বিভাগের ARPANET এর মধ্য দিয়ে ইন্টারনেটের পূর্বসূরীদের যাত্রা শুরু হয়। ARPA (The Advanced Research Projects Agency) তহবিলে গবেষকরা বর্তমানে ব্যবহৃত ইন্টারনেট এর অনেক প্রটৌকলের বিকাশ ঘটান।

কিন্তু কিভাবে ARPANET থেকে এলো আজকের ইন্টারনেট? চলুন, সংক্ষেপে জেনে নিই সেই ইতিহাস।

১৯৬৫: MIT Lincoln Lab এ প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে সফলভাবে দুটি কম্পিউটারের যোগাযোগ সম্পন্ন হয়, যেটা তথ্য স্থানান্তরের একটা প্রযুক্তি যেখানে প্রেরণের জন্য প্রয়োজনীয়ভাবে তথ্যগুলোকে ভাগ করে নেওয়া হয় এবং গ্রাহক যন্ত্রে গিয়ে পুনরায় যুক্ত হয়ে তথ্য প্রদর্শিত হয়। তো, হয়ত এটাই ছিলো ইন্টারনেটের সূচনা!

১৯৬৮: BBN (Beranek and Newman, Inc.) ‘ইন্টারফেস মেসেজ প্রসেসর (IMP)’ এর বিবরণ প্রকাশ করে। প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তিতে দুটি নেটওয়ার্কের আন্তঃসংযোগের জন্য এর ব্যবহার হত। তাদের সাথে ARPANET এর চুক্তি হয় ।

১৯৬৯: অক্টোবর, ২৯ তারিখে UCLA’s Network Measurement Center, Stanford Research Institute (SRI), University of California-Santa Barbara এবং University of Utah নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়। প্রথম মেসেজ ছিল ‘LO’, যা ছিলে চার্লস ক্লাইন নামের একজন ছাত্রের লগইনের প্রচেষ্টা। দুর্ভাগ্যবশত SRI সিস্টেম ক্র্যাশ করায় মেসেজটি প্রেরণ হতে ব্যার্থ হয়।

১৯৭২: BBN এর স্যার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন নেটওয়ার্ক ইমেইলকে তুলে ধরেন। প্রয়োজনীয় সিস্টেম প্রটৌকল স্থাপনের জন্য ইন্টারনেটওয়ার্কিং ওয়ার্কিং গ্রুপ (INWG) প্রতিষ্ঠিত হয়। নিঃসন্দেহে ইন্টারনেটের আগমনের বড় একটা ধাপ।

১৯৭৩: University College of London (England) এবং Royal Radar Establishment (Norway) ARPANET এ যুক্ত হলে বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কিং বাস্তবতা পেতে শুরু করে। এসময় ইন্টারনেট (Internet) শব্দটির উদ্ভব হয়।

১৯৭৪:  প্রথম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP) ‘টেলিনেট (Telenet)’ নামে ARPANET এর কমার্শিয়াল ভার্সনের সূচনা করে।

১৯৭৪: আধুনিক ইন্টারনেটের জনক বলে পরিচিত ভিন্টন সার্ফ (Vinton Cerf) এবং বব কাহন (Bob Kahn) প্যাকেট নেটওয়ার্ক ইন্টারকানেকশনের জন্য একটি প্রটোকল প্রকাশ করেন, যেখানে ট্রান্সমিশন কন্টোল প্রটৌকল (TCP) এর ডিজাইন বর্ণিত হয় ।

১৯৭৬: রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ তার প্রথম মেইল প্রেরণ করেন।

১৯৭৯: খবর আর আলোচনা হোস্টের জন্য USENET এর জন্ম হয়।

১৯৮১: বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের নেটওয়ার্কে আনার জন্য
ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF) প্রতিষ্ঠাকে অনুমতি দেয় কম্পিউটার সায়েন্স নেটওয়ার্ক (CSNET)।

১৯৮২: ARPANET এর প্রটোকল হিসেবে ট্রান্সমিশন কন্টোল প্রটোকল (TCP) এবং ইন্টারনেট প্রটৌকল (IP) এর উত্থান ঘটে। সংক্ষেপে এগুলো TCP/IP নামে পরিচিত। ফলে উদীয়মান ইন্টারনেট নতুন সংজ্ঞা লাভ করে। TCP/IP হয় আদর্শ ইন্টারনেট প্রটোকল।

১৯৮৩: ওয়েবসাইটের নামকরণের জন্য ডোমেইন নেম সিস্টেম (Domain Name System, DNS) এ যুক্ত হয় এখনকার কিছু জনপ্রিয় এক্সটেনশন-.edu, .gov, .com, .mil, .org, .net এবং.int। ফলে ডোমেইনের নাম মনে রাখা পূর্বের আইপি এড্রেসের (যেমন: 123.456.789.10) চেয়ে অনেক সহজ হয়।

১৯৮৪: উইলিয়াম গিবসন (William Gibson) প্রথমবারের মত সাইবারস্পেস (Cyberspace) শব্দটি ব্যবহার করেন।

১৯৮৫: ম্যাসাচুসেটসের (Massachusetts) সিম্বলিক্স কম্পিউটার কর্পোরেশন (Symbolics Computer Corp.) এর ওয়েবসাইট symbolics.com, প্রথম রেজিস্টার্ড ডোমেইনের অধিকারী হয়।

১৯৮৬: আমেরিকার ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF) এর সুপারকম্পিউটার গুলোকে একটি নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে তাদের তৈরি এনএসএফনেট (NSFNET) কে অনলাইন করা হয়। আর তখন এর গতি ছিল একটি স্ট্যান্ডার্ড ডায়ালআপ মডেমের মত – ৫৬০০০ বিট প্রতি সেকেন্ড। ধীরে ধীরে সময় যেতে লাগল ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন এর তৈরি এই বিশেষ নেটওয়ার্কের গতিও বাড়তে থাকল, একপর্যায়ে আঞ্চলিক বিভিন্ন গবেষনা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এই নেটওয়ার্কেরর সাথে কানেক্টেড হয়। এটাই ছিল ইন্টারনেটের প্রথম ছড়িয়ে পড়া। এনএসএফনেট এটি মূলত ছিল একটি নেটওয়ার্ক এর জাল, যেটা ততকালীন আরপানেট থেকে শুরু করে প্রান্তীয় একাডেমিক ইউজারদের সাথেও সংযুক্ত ছিল। (এই অংশটুকুর অনুবাদক তৌহিদুর রহমান)

১৯৮৭: ইন্টারনেটে হোস্টের সংখ্যা ২০০০০ ছাড়ায়। Cisco নিয়ে আসে তাদের প্রথম রাউটার।

১৯৮৯: প্রথমবারের মত কমার্শিয়াল ডায়াল আপ ইন্টারেট একসেস নিয়ে আসে world.std.com

১৯৯০: ইউরোপের নিউক্লিয়ার রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (CERN) একজন বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স লি ডেভেলোপ করেন আমাদের সকলের অতি পরিচিত এইচটিএমএল (HyperText Markup Language, HTML) ভাষার। আজ আমরা যে ওয়েবসাইটগুলো দেখছি তাতে HTML এর অবদান অনেক অনেক বেশি।

১৯৯১: CERN ইন্টারনেটকে জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করে।

১৯৯২: ইন্টারনেটে প্রথম অডিও আর ভিডিও যুক্ত হয়। সার্ফিং দা ইন্টারনেট (surfing the Internet) বাক্যটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৯৯৩: ওয়েবসাইটের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছায় এবং হোয়াইট হাউজ ও আমেরিকা অনলাইনে আসে। ইলিনস বিশ্ববিদ্যালয় (University of Illinois, Champaign-Urbana) এর ছাত্র  মার্ক এন্ড্রেসেন (Marc Andreesen) তৈরি করেন মোজাইক ব্রাউজার। ১৯৮৫ সালে এনএসএফনেট (NSFNET) এ সংযুক্ত ২০০০ কম্পিউটারের সংখ্যা ১৯৯৩ এ এসে হয় ২০ লক্ষেরও বেশি! নেটওয়ার্কের বিকাশমান কমার্শিয়াল ব্যবহারকে সাপোর্টের জন্য ইন্টারনেটের নতুন আর্কিটেকচার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন (NSF)।

১৯৯৪: শুরু হয় Netscape Communication। মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ ৯৫ এর জন্য নিয়ে আসে ওয়েব ব্রাউজার।

১৯৯৪: স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির দুজন গ্রাজুয়েট ছাত্র জেরি ইয়াং আর ডেভিড ফেলোর হাতে তৈরি হয় ‘ইয়াহু!’। সাইটটির নাম আসলে ফিল “জেরি আর ডেভিডের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব গাইড” (Jerry and David’s Guide to the World Wide Web)। পরে মার্চ ১৯৯৫ সালে  ‘ইয়াহু!’ নামকরণ হয়।

১৯৯৫:  কম্পিউসার্ভ, আমেরিকা অনলাইন অ্যান্ড প্রোডিজি ইন্টারনেট একসেস দিতে শুরু করে। অ্যামাজন, ক্রেইগসলিস্ট আর ইবে-র মত সাইটগুলো চালু হয়। ইন্টারনেটকে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার কাজ বহুলাংশে সম্পাদন হওয়ায় এনএসএফনেট প্রত্যাহার করা হয়।


১৯৯৬: মাইক্রোসফট আর নেটস্কেপের ব্রাউজার যুদ্ধ উত্তাপ ছড়াতে থাকে। সিনেট ১৫০০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয় tv.com

১৯৯৬: থ্রিডি অ্যানিমেটেড ডাবিংকৃত  ভিডিও ‘ড্যান্সিং বেবি‘ প্রথম ভাইরাল হয়।

১৯৯৭: রিড হ্যাস্টিংস ও মার্ক র‌্যান্ডলফ মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ডিভিডি প্রেরণের নেটফ্লিক্স প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৯৭: উইন্ডোজ ৯৫ এর নতুন ভার্সনে পিসি প্রস্তুতকারকদের মাইক্রোসফটের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট তাদের ব্রাউজার হাইড অথবা রিমুভের সুযোগ দেয়। নেটস্কেপ তাদের ব্রাউজারকে ফ্রি ঘোষণা করে।

১৯৯৮: আমাদের অতি আপনজন, আমাদের সবার ‘মামা’, গুগলের জন্ম হয়। আজ গুগল ছাড়া নেট ব্রাউজিং আমাদের চিন্তারও বাইরে!

১৯৯৮: ভবিষ্যতের ইন্টারনেটের জন্য উম্মোচিত হয় ইন্টারনেট প্রটৌকলের ষষ্ঠ ভার্সন (IPv6)। তবে এখনও IPv4 সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। IPv4 ৩২ বিট এড্রেস ব্যবহার করে যা ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক এড্রেস ব্যবহারের সুযোগ দেয়। তবে কিয়ামত পর্যন্ত IPv6 এর ইউনিক এড্রেস শেষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না, এটি দিবে ৩৪০  ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ইউনিক এড্রেস! যদি জানা না থাকে, তবে বলে রাখি এক ট্রিলিয়ন= এক লক্ষ কোটি!

১৯৯৯: AOL, Netscape-কে কিনে নেই। ইন্টারনেটে Napster এর আগমনের সাথে Peer-to-peer ফাইল শেয়ারিং বাস্তবতা পায়।

২০০০: ডট কমের জনপ্রিয়তা তুমুলে পৌছে। ইন্টারনেটের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওয়েব সাইটগুলো বৃহৎ পরিমাণে DoS Attack এর শিকার হয়।

২০০১: ফেডেরাল জাজের নির্দেশে Napstar বন্ধ হয়ে যায়। নির্দেশ দেওয়া হয়, পুনরায় অনলাইনে আসার পূর্বে একে অবশ্যই ইউজারদের কপিরাইটকৃত উপাদান শেয়ার বন্ধের উপায় তৈরি করতে হবে।

২০০৩: SQL Slammer দশ মিনিটেই পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। মাইস্পেস, স্কাইপি এবং ওয়েব ব্রাউজার সাফারির উত্থান ঘটে।

২০০৩: ব্লগ পাবলিশিং প্লাটফর্ম ওয়ার্ডপ্রেসের জন্ম হয়।

২০০৪: অনলাইনে ফেসবুকের আগমনের সাথে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের যুগ শুরু হয়। মজিলার পক্ষ থেকে আসে তাদের ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার।

২০০৫: চালু হয় ইউটিউব চালু হয়। সোশ্যাল নিউজ সাইট রেডিটেরও জন্ম হয়।

২০০৬: AOL এর ব্যবসায়িক পরিবর্তন ঘটায় এবং অধিকাংশ সার্ভিস বিনামূল্যে প্রচার করে। রিভেন্যু পেতে তারা বিজ্ঞাপননির্ভর হয়।

২০০৬: টুইটারের অভ্যুদয় হয়। প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডর্সে (Jack Dorsey) প্রথম টুইট করেন,  “just setting up my twttr.”

২০১০: ফেসবুকের একটিভ ব্যবহারকারীর সংখ্য ৪০০ মিলিয়নে পৌছে।

২০১০: সামাজিক যোগাযোগ সাইট পিনটেরেস্ট আর ইনস্ট্রাগাম জন্ম নেয়।

২০১১: মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্রোহে ফেসবুক ও টুইটার বড় ভূমিকা পালন করে।

২০১২: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন অনলাইন পাইরেসি বন্ধ অাইন ও মেধাসত্ব সংরক্ষণ আইনের ঘোষণা দেয়, যা ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীদের কপিরাইটেড কন্টেন্ট প্রতিরক্ষায় নতুন ধরনের আইনের সৃষ্টি করে। প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন কোম্পানি যেমন গুগল ও অলাভজনক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন উইকিপিডিয়া বিলটি বন্ধ করতে সফল হলে ইউটিউবের মত ব্যবহারকারী নির্মিত কনটেন্ট নির্ভর সাইটগুলো বিজয়ী হয় বলে মনে হয়।

২০১৪: Pew Research Center এর সার্ভে থেকে জানা যায় ৫১% আমেরিকান অনলাইনে ব্যাংকিং করে থাকেন।

২০১৫: সেসময়ের ৩১৬ মিলিয়ন ইউজার থাকা টুইটারকে ছাড়িয়ে ছবি শেয়ারের সাইট ইনস্ট্রাগ্রাম ৪০০ মিলিয়ন ইউজার পেতে সক্ষম হয়।

২০১৬: গুগল নিয়ে আসে ভয়েস সক্রিয় গুগল ব্যক্তিগত সহকারি প্রোগ্রাম গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।

পোস্টটা প্রথম লিখেছিলাম আট মাসের মত আগে। কিছুটা পরিমার্জন করে আবার প্রকাশ করলাম। ইংরেজিতে আমি বড়ই অদক্ষ। আসল ইংরেজি এখানে পাবেন। অবশ্যই কৃতিত্ব তাদেরই, আমি ভাষান্তর করেছি।

পোস্টটি পড়ার জন্য শুকরিয়া। আল্লাহ হাফেজ।

0 0 vote
Article Rating
Default image
তাহমিদ হাসান
এইতো, প্রতি ষাট সেকেন্ডে জীবন থেকে একটি করে মিনিট মুছে যাচ্ছে, আর এভাবেই এগিয়ে চলেছি মৃত্যুর পথে, নিজ ঠিকানায়। জীবন বড় অদ্ভুত, তাই না?
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x